Daily কমপক্ষে তিনবার পাতলা বা তরল মলত্যাগ হওয়াকেই ডায়রিয়া বলে।
পরিসখ্যান বলে যে:
প্রতি বছর প্রায় 1.7 থেকে 5 বিলিয়ন ডায়রিয়া ঘটনা ঘটে।এটা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সবচেয়ে সাধারণত দেখা যায়, যেখানে ছোট বাচ্চারা প্রতি বছরে গড়ে তিনবার ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়।2012 সাল পর্যন্ত, বিশ্বব্যাপী পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুর দ্বিতীয় কারণ ।ঘন ঘন ডায়রিয়া ঘটনা অপুষ্টিরও একটা সাধারণ কারণ
ডায়রিয়া আসলে কেন হয়?
খোলামাঠে মলত্যাগ
ব্যাক্টেরিয়া ঘটিত ডায়ারিয়া:সালমোনেলা ,শিগেলা,ইশ্চেরিচিয়া কোলাই
ভাইরাস ঘটিত ডায়ারিয়া:Rota virus, হেপাটাইটিস-এ ভাইরাস ডায়ারিয়া ঘটাতে পারে।
ছত্রাক ঘটিত ডায়ারিয়া,Protozoa ঘটিত ডায়ারিয়া, জিয়ার্ডিয়া, এন্টামিবা জাতীয় প্রোটোজোয়া ডায়ারিয়ার জন্য দায়ী।
ডায়রিয়া প্রতিকার ও প্রতিরোধ :
সাধারণ ডায়ারিয়া ঘটলে এটা নিজে নিজেই সেরে যায়। রোগ যতদিন চলে তত দিন রোগীকে স্যালাইন খাওয়াতে হয়। স্যালাইন শরীরে পানিশুন্যতা রোধ করে। কলেরা জীবানু দ্বারা ডায়ারিয়া হলে প্রতিদিন শরীর থেকে ২০-৩০ লিটার পানি বের হয়ে যায়। যা শরীরের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর। তার যত দিন রোগ চলে ততদিন রোগীকে খাওয়ার স্যালাইন খাওয়াতে হবে। UNICEF এর মতে মলত্যাগ করার পর সাবান দিয়ে হাত ধোয়া ডায়ারিয়ার সম্ভবনা ৪০% হ্রাস করে। খাওয়ার স্যালাইন বাজারে বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানি কর্তৃক সরবরাহকৃত স্যালাইন পাওয়া যায়। আবার ঘরে চিনি (না থাকলে গুড়), এক মুষ্টি চিনি/গুড় ও তিন আঙ্গুলের এক চিমটা লবণ এক মগ পানিতে মিশিয়ে স্যালাইন তৈরি করা যায়।
Comments
Post a Comment